অস্তিত্বের ধূসর ক্যানভাসে,
একটি জখমি স্বর—
রক্তিম দিগন্তের ওপার থেকে ভেসে আসে;
শূন্যতার গান।
সে কোনো মাটির ক্রন্দন নয়,
সে এক মহাজাগতিক দহন।
মরু-বালুকার স্তব্ধতায় মিশে আছে,
একটি বিদীর্ণ নক্ষত্রের আর্তনাদ—
“কেউ কি আছ, এই শূন্যতার মিছিলে?”
দর্পণের সমাধি
মৌনতার আড়ালে লুকিয়ে রাখা,
শতাব্দীর এক পাষাণ উপকথা।
আমরা যারা ঘুমের চাদরে মগ্ন,
আমাদের চেতনার বন্দরে নোঙর ফেলে না কোনো—
রক্তিম কিশতি।
বুকের ভেতর এক বিষাদ-কুয়াশা,
যেখানে সুবিধার পিদিম জ্বলে—
আর সত্যের সমাধি রচিত হয়,
স্বার্থের এক নিবিড় আলিঙ্গনে।
বিবেকের ঋণভার
আলিঙ্গন ছিঁড়ে বেরিয়ে আসেনি কোনো ছায়া,
সবাই আজ ছদ্মবেশী কায়া।
সেই নিঃসঙ্গতার জলছাপ—
এখনো লেগে আছে মহাকালের ললাটে।
ইতিহাস এক জল্লাদ,
সে ক্ষমা শেখে নি কোনোদিন।
মৃত আত্মার হাহাকার হয়ে—
প্রতিটি ভোর প্রশ্ন ছুড়ে দেয়:
“তৃষ্ণার বিপরীতে তোমরা কি কেবল তৃষ্ণা?”
মহাপ্রলয়ের প্রতিধ্বনি
বাতাসে আজো সেই রুধির-সুঘ্রাণ,
মৃত্তিকার গহ্বরে লুকানো এক প্রাচীন প্রতিজ্ঞা।
জাগরণ কি তবে কেবল এক অলীক মরীচিকা?
যদি আজ কম্পিত না হয়—
এই হিমশীতল হৃদপিণ্ড,
তবে কালকের সূর্য হবে—
এক অনন্ত ভর্ৎসনার সাক্ষী।
ডাকটি আজো অবিনশ্বর,
ডাকটি আজো আমাদের ছায়ার সাথে লড়ছে।


আপনার মূল্যবান মতামত দিন। আমরা আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় আছি! দয়া করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং কোনো স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন লিংক শেয়ার করবেন না।